শিক্ষা, শৃংখলা, সংযম- এই মূলমন্ত্রকে হৃদয়ে লালন করে প্রগতিশীল পৃথিবী গড়ার প্রত্যয়ে নিয়ে আমাদের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে সকলের প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন। প্রতিষ্ঠানের সকল সদস্য আধুনিক বিজ্ঞান সম্মত তথ্য প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিদ্যালয় ম্যানজিং কমিটি ও এলকাবাসী সকলের সম্মিলিত প্রয়াস চিরকাল অটুট থাকবে।
পড়ালেখার পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীর সহপাঠক্রমিক কাজ অত্যন্ত জরুরী। এটা মানুষের মনের সংকীর্নতা ও দৈন্যতাকে দূর করে সাদা মনের অধিকারী করে গড়ে তোলে। শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী সকলকেই বইপড়ার সুঅভ্যাসটি অর্জন করতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মানে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ও মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে শিক্ষাদানের ব্যপকতা ও প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সকলকেই যৌতুক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, মাদক, জঙ্গী, সন্ত্রাস ইত্যাদি সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সদা সচেতন থাকতে হবে। আশা করছি অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী পরিপূর্ন অর্থে শিক্ষা গ্রহন করবে এবং জীবনের প্রতিটি পদে তার স্বাক্ষর রেখে যাবে। শিক্ষাদীক্ষা, সাহিত্য সংস্কৃতি, খেলাধুলাসহ, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অত্র প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সমৃদ্ধি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
প্রধান শিক্ষক
সেন্ট যোসেফস্ স্কুল, গণেশতলা, দিনাজপুর।
এক বিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রথম সোপান হল শিক্ষা। সুশিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি লাভ করতে পারে না। শিক্ষার মাধ্যমেই তৈরি হয় সৎ, দেশপ্রেমিক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সুনাগরিক। শিক্ষা ছাড়া মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম,মানবতা ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো সম্ভব নয়। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশকে আধুনিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপে গড়ার ক্ষেত্রে যুগোপযোগী ও প্রযুক্তি নির্ভর মানসম্মত শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।
শিক্ষার ক্ষেত্রে অনুসরণ করা হচ্ছে অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি। নিয়মিত বিভিন্ন ধরণের আধুনিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। ‘সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জন এবং ‘ভিশন-২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও পরিচালনা পরিষদের সবাই একযোগে কাজ করে এ প্রতিষ্ঠানকে একটি সর্বাধুনিক বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।
প্রতিষ্ঠাতা পরিচিতি: পুরো নাম সিস্টার পিয়া ফার্নান্দেজ। জন্ম ১৯১৪ সালের ১০ জুন, ভারতের কর্নাটক রাজ্যের ম্যাংলোরে (গধহমষড়ৎব)। তার পিতা লেজারুস ফার্নান্দেজ আর মা তেরেসা ফার্নান্দেজ। মোট ৭ ভাইবোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। ‘সিস্টার’ উপাধি পাওয়ার পর ১৯৫১ সালে তিনি বাংলাদেশে আসেন। দিনাজপুরের মিশনে আসার পর তিনিসহ আরো ৪ জন_ সিস্টার বারটিল্লা, সিস্টার ব্যাংলিয়াল ফার্নান্ডিস, সিস্টার মার্গারেট প্রাইস এবং সিস্টার কার্লো মিলে শিক্ষা প্রসারের জন্য ওই বছরই দিনাজপুরে প্রতিষ্ঠা করেন সেন্ট জোসেফ স্কুল। অন্য ৪ জন সঙ্গী বিভিন্ন সময়ে চলে যান, কিন্তু সিস্টার পিয়া এখানেই থেকে যান।
পাঠ দানের অনুমতি ও স্বীকৃতি:
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে ০১/০১/২০১৩ তারিখে পাঠ দানের অনুমতি পায় এবং নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে ০১/০১/২০২৩ তারিখে একাডেমিক স্বীকৃতি পায়।