জঙ্গী ও সন্ত্রাসবিরোধী মানববন্ধন ও সমাবেশ

দিনাজপুরের খানসামায় উপজেলার নলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে জঙ্গী ও সন্ত্রাস বিরোধী মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের নিজ ক্যাম্পাসে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এতে অংশ নেয়। আলোচনা সভা চলাকালে প্রধান শিক্ষক এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাজেবুর রহমান, উপজলো মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আজমল হক, স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল হাই শাহ, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মতিন প্রধানসহ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদশে একটি অসাম্প্রদায়িক দেশের। এদেশেরে মুল বক্তব্য হলো ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। কিন্তু  এক শ্রেনির চক্রান্তকারীরা ধর্মের দোহাই দিয়ে সমাজের উচ্চ মধ্যবত্তি পরবিাররে যুবকদের ভুল বুঝিয়ে জঙ্গী তৈরি করা হয়েছে। তাদের দিয়ে দেশের মধ্যে হামলা চালিয়ে দেশী বিদেশীসহ সাধারন নিরিহ মানুষকে হত্যার খেলায় মেতেছে। কিন্তু বাঙ্গালিরা এই জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মেনে নেবে না । ১৬ কোটি মানুষ এ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

এছাড়া খানসামা পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, খানসামা ডিগ্রী কলেজ, পাকেরহাট ডিগ্রী কলেজ, খানসামা ফাজিল মাদরাসা, শাপলা র্গালস স্কুল এন্ড কলেজ, খানসামা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নিউ পাকেরহাট হাই স্কুল, ছাতিয়ানগড় স্কুল এন্ড কলেজ, গোয়ালডিহি উচ্চ বিদ্যালয়, গোয়ালডিহি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কাচিনীয়া স্কুল এন্ড কলেজ, কুমড়িয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কাচিনীয়া গার্লস স্কুল, কুতুবডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, পশ্চিম বাশুলী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, দুহশুহ উচ্চ বিদ্যালয় ও চড়কডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে আলােচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেএসসি পরীক্ষা কেন বাতিল নয় : হাইকোর্ট

মানিক হোসেন: পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে জেএসসি (জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট) পরীক্ষা নেওয়া কেন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে জেএসসি পরীক্ষা বিষয়ে জারি করা পরিপত্র এবং সরকারের সিদ্ধান্ত কেন বাতিল করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিবসহ ছয়জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে আজ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
গত ২৭ আগস্ট হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট আবেদন করেন। রিট আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি নিজেই।
রিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়েল সচিব, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, যশোর, কুমিল্লা, বরিশাল, সিলেট ও দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।
আইনজীবী বলেন, জেএসসি পরীক্ষা পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে নেয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা এবং ২০১৬ সাল থেকে জেএসসি পরীক্ষা পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে না নেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে। রুল শুনানি না হওয়া পর্যন্ত ২০১৬ সাল হইতে জেএসসি পরীক্ষা পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে না নেয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করা হয়েছে।
রিট আবেদনে আরো বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধ্যাদেশ- ১৯৬১ অনুযায়ী সকল শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি/এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষা পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ১৯৭১ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত ওই আইনে জেএসসি পরীক্ষা বলতে কিছু নেই।
এছাড়া বিশ্বের সকল দেশে ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু নিম্নের কোনো পরীক্ষাই পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে গ্রহণ করা হয় না। তাই জেএসসি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত সংবিধানের ৭/১৫/১৭/২৬/২৭/৩১/৩২/৩৪ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করা হয়। জেএসসি পরীক্ষা নেয়ার সরকারের এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মেধাশূন্য করছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করেন তিনি।